Search Box Example 1

Sunday, October 9, 2016

How to Youtube Marketing

অনেক দিন পর ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছি।
সাম্প্রতিক সময়ে পরিচিত/অপরিচিত অনেককেই দেখছি একটা কমন সমস্যার কথা বলছেন আর সেটা হলো “ভিডিওতে ভিউ আসছে না!”

আসলে প্রপারলি অপ্টিমাইজেশন করার পর ভিডিওতে ভিউ আসা শুরু করে। কিন্তু সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে আমরা কি আসলেই ঠিক মত অপ্টিমাইজেশন করছি?

প্রপার অপ্টিমাইজেশন প্রসেস শুরুই হয় কিওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে। কারণ আপনার কন্টেন্ট যতই ভাল হোক না কেন আপনি যদি ভুলভাল কিওয়ার্ড সেলেক্ট করে কাজ করেন তাহলে আপনি আপনার টার্গেট অডিয়েন্সকে রিচ করতে পারবেন না।

মুলত ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ আসে ২টা ওয়েতেঃ
১টা হচ্ছে কিওয়ার্ড সার্চ করে আসা ভিউ। আর ২য়টা হচ্ছে এক্সটার্নাল সোর্স থেকে আসা ভিউ।

Increase your YouTube video views





কিওয়ার্ড সার্চ থেকে আসা ভিউঃ

যেই কিওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ডওয়াইড সার্চ কম সেখানে আপনি গুগলের ফার্স্ট পেজে থেকেও বেশি ভিউ পাবেন না। আবার যে কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম অনেক বেশি সেখানে আপনি র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে থাকলেও রেগুলার কিছু ট্র্যাফিক পাবেন। এটাই সহজ হিসাব যদি আপনি সার্চ থেকে অরগানিক ট্র্যাফিক পেতে চান।

হিসাব একটু সহজ করে বলি, ধরুন কোনও একটা কিওয়ার্ড গুগলে মান্থলি ১লাখ সার্চ থাকে তাহলে সেটার টপ রেজাল্টে সবচেয়ে বেশি ট্র্যাফিক যাবে। হয়তো এভারেজে ৩০% এর বেশি। যে সেকেন্ড পজিশনে থাকবে সেটা টপের চেয়ে কিছু কম ট্র্যাফিক পাবে। এভাবেই র‍্যাঙ্কিং যত ডাউনে থাকবে সেটাতে ট্র্যাফিকও কিছুটা কমতে থাকবে।

আমরা যখন নরমালি ভিডিও মার্কেটিং প্ল্যানিং করি তখন মেইন কিওয়ার্ড রাখি ২/৩টা আর বাকি কিছু সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড। যদি টোটাল ১০টা কিওয়ার্ড নেই আর সবগুলো মিলিয়ে যদি মোটামোটি ৫ লাখ সার্চ ভলিউম থাকে তাহলে বিভিন্ন কিওয়ার্ডে টুকটাক কিছু র‍্যাঙ্কিং পেলেই আমরা ডেইলি একটা ডিসেন্ট ট্র্যাফিক পাবো শুধু মাত্র সার্চ থেকে। এভাবেই আমরা যত বেশি/কম সার্চ ভলিউমের কিওয়ার্ড ফোকাস করে অপ্টিমাইজেশন করবো সেটার ট্র্যাফিক পাবার অনুপাতও সেইভাবেই থাকবে।

মনে রাখবেন র‍্যাঙ্কিং একটা প্রসেসের মধ্যে দিয়ে হয়। ইউটিউবের অলগারিদমে যেসব র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর আছে সেগুলো মেনে চললে ধীরে ধীরে আপনি র‍্যাঙ্কিং এ উপরে উঠতে থাকবেন। এখানে ব্ল্যাক ম্যাজিক টাইপ কিছুতে বিশ্বাস না করে নিজের কাজের কোয়ালিটির উপর নির্ভর করুন।

*** সার্চ ট্র্যাফিক থেকে আসা ট্র্যাফিক নিয়ে এগুলা যা বললাম তা রেগুলার কিওয়ার্ডগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোন ইভেন্ট/হট ট্রেন্ডি নিউজের ক্ষেত্রে আসলে এভাবে ট্র্যাক করার কোনও উপায় নেই। আপনার ভিডিও হিট হলে রাতারাতি চ্যানেল জিরো থেকে হিরো হয়ে যাবে আর হিট না হলে তো কিছু করার নেই।
ট্রেন্ডি ভিডিও নিয়ে আমার এই পোষ্টটি পড়তে পারেনঃ YouTube Trendy Videos


এক্সটার্নাল সোর্স থেকে আসা ভিউঃ

প্রথমেই বলেছি ইউটিউবে ভিডিও ভিউ হবার ২টা ওয়ে আছে। একটা হচ্ছে ইউটিউবের রেগুলার ট্র্যাফিকের সার্চ থেকে আসা ভিউ আরেকটা হচ্ছে ইউটিউবের বাইরের বিভিন্ন এক্সটার্নাল সোর্স থেকে ভিউ। এক্সটার্নাল সোর্স বলতে বুঝাচ্ছি, ইউটিউব বাইরে আপনার অডিয়েন্স আছে এমন প্ল্যাটফর্মগুলোর কথা।

আমি আমার ভিডিও মার্কেটিং ক্যারিয়ারে যেভাবে কিছু অ্যাডভান্স অপ্টিমাজেশন স্ট্রেটেজি এবং ভিউ পাবার কিছু সিস্টেম এপ্লাই করেছি সেগুলোর কয়েকটা এখন শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।

১। Social Shares: আমরা যারা ইতোমধ্যে ভিডিও মার্কেটিং করছি তারা সবাই খুব ভাল করেই জানি যে ইউটিউব ভিডিও র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টরসগুলোর মধ্যে সোশ্যাল শেয়ার গুলো কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমি এখানে বলবো একদম রিলেভেন্ট অডিয়েন্সের সাথে আপনার ভিডিও শেয়ারের ফলে এক্সট্রা ভিউ এর কথা।

ধরুন আপনি Weight Loss” এর কিছু সুন্দর টিপস নিয়ে একটি ভিডিও বানালেন। রেগুলার অপ্টিমাইজেশন করার পরও হয়তো কিছু ভাল কিওয়ার্ডে র‍্যাঙ্কিং পাচ্ছেন না অনেক বেশি কম্পিটিশনের কারণে। কিন্তু আপনি যদি আপনার এই ভিডিওটা ফেসবুক বা অন্য ভাল কিছু সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের এমন কিছু গ্রুপ বা পেজে শেয়ার করেন যেখানে মানুষ নিজের ওজন কমানোর জন্য হন্নে হয়ে বেড়াচ্ছে তাহলে আপনি তাৎক্ষণিক বেশ ভাল কিছু ভিউ পেয়ে যাবেন। আপনি যদি আপনার ভিডিওতে আসলে এমন কিছু ইনফরমেশন দিয়ে থাকেন যেটা আসলেই ওই সব লোকের কাছে ভ্যালুয়েবল মনে হয় তাহলে তারা নিজ থেকেই আপনার ভিডিওকে শেয়ার করবে, থাম্বস আপ দিবে, আপনার চ্যানেলকে সাবস্কাইব করবে। সবচেয়ে মজার কথা হচ্ছে এই ভিডিওর মাধ্যমে যদি আপনি অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রমট করেন তাহলে খুব সহজেই আপনি কনভার্সন পেতে পারেন।

সোশ্যাল শেয়ারস গুলো আপনি চাইলে আরও একটু ইফেক্টিভলি করতে পারেন। ধরুন আপনি একটা নির্দিষ্ট এরিয়াকে ফোকাস করে ভিডিও বানিয়েছেন যেমন, Best Restaurants in Chicago” তাহলে শিকাগো শহরের মানুষজন ভিড় করছে এমন কিছু জায়গায় আপনার ভিডিওটি আপনি এভাবে শেয়ার করতে পারেন, “শিকাগো বেষ্ট কোন কোন রেস্টুরেন্টে আপনি খেয়েছেন? আমি তো অনেকগুলোতে খেয়েছি কিন্তু এই ভিডিওতে বেশ কয়েকটা রেস্টুরেন্টের ব্যাপারে বলা হয়েছে। আপনিও দেখে নিন কোন রেস্টুরেন্টে আপনি গিয়েছেন”

এটা স্রেফ একটা উদাহরণ দিয়েছি, আপনি আপনার মত সুন্দর একটা ক্যাপশন দিয়ে ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। একবার যদি ভাইরাল হয়ে যায় তাহলে আর আপনাকে পায় কে :D সব গুলোই USA এর ভিউয়ার!


২। Q/A Sites: দুনিয়ার তাবত মানুষ যারা বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবার আগেই গুগলে সার্চ করে এবং এরপরে জনপ্রিয় কোয়েশ্চেন/এন্সার সাইটে ঢু মারে।
আপনি ভিডিও আপলোড করার পর আপনার ভিডিওটি এধরণের ভাল কিছু অথারিটি সাইটে গিয়ে পোষ্ট করতে পারেন। পোষ্ট করতে বললাম এর মানে এই নয় যে গিয়েই উলটাপালটা কোনও জায়গায় গিয়ে কমেন্ট করে এলেন। আপনার ভিডিওর সাথে একদম প্রাসঙ্গিক এমন প্রশ্নের উত্তরে গিয়ে সুন্দর করে সাবলিল ভাসায় ২ লাইন লিখে এরপর সোর্স হিসেবে আপনার ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারেন। মডারেটর যখন দেখবে আপনি ফালতু অপ্রাসঙ্গিক কিছু লিখেন নাই তখন আপনার কমেন্টটি এপ্রুভ করে দিবে। আপনার কমেন্ট থেকে অন্য মানুষেরা ভ্যালু পাবে আর তারাও সেখান থেকে সোর্স ভিডিওতে যাবে।

যতদিন যাবে ততদিন আপনার কমেন্ট আরও বেশি অথারিটি পেতে থাকবে আর আপনি আজীবনের জন্য একটা ভ্যালিড ট্র্যাফিক সোর্স ক্রিয়েট করে নিলেন।

এক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ যেমনঃ
ক) হুট করে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করেই সাথে সাথে লিঙ্ক পোষ্ট করা যাবে না।
খ) অবশ্যই অ্যাকাউন্ট করার পর প্রোফাইলে ইনফরমেশন দিয়ে পরিপূর্ণ করে নিতে হবে।
গ) রেগুলার অন্যান্য ক্যাটাগরির বিভিন্ন পোষ্টে ভাল রকম কন্ট্রিবিউট করতে হবে যেন প্ল্যাটফর্ম বুঝতে না পারে যে আপনি এখানে শুধু নিজের লিঙ্ক গুলো শেয়ার করতে এসেছেন ;)


৩। Forum Marketing: আপনার নিশের ফেমাস ফোরামগুলো হচ্ছে আপনার অনেক বড় একটা টার্গেট অডিয়েন্সের আড্ডাখানা। ফোরাম গুলোতে একটু এক্টিভ থেকে মাঝে মাঝে বিভিন্ন পোষ্টে কমেন্ট করে আর থ্রেড পোষ্ট করে আপনার ভিডিওকে প্রমোট করতে পারেন। যখন আপনি একটু পুরাতন মেম্বার হয়ে যাবেন আর ফোরামের অন্যান্য মেম্বারগুলো আপনাকে চিনবে, আপনার পোষ্ট ফলো করবে তখনি আপনি দেখবেন শুধু মাত্র এই ফোরাম গুলোর মাধ্যমেই আপনি রেগুলার ভিউ পাবেন। কিছু ফোরামে ইউটিউব ভিডিও এম্বেড করার অপশন থাকে। যেখানে এম্বেডের অপশন থাকেনা সেখানে শুধু আপনি আপনার ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। তবে অবশ্যই এবং অবশ্যই থ্রেড/কমেন্টে ভাল কয়েক লাইন ইনফরমেশন লিখে এরপর আপনি ভিডিও লিঙ্ক পোষ্ট করবেন। তাতে ব্যাপারটা বিরক্তিকর দেখায় না।

এলেক্সার (http://www.alexa.com) অফিশিয়াল সাইটে গিয়ে Top Sites নেভিগেটকরে Category থেকেই নিশ রিলেটেড সর্বাধিক ট্র্যাফিকের ফোরাম খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

এছাড়াও কিওয়ার্ড টার্গেটেড ফোরাম খুঁজে বের করতে গুগলের সার্চ অপশনে এই ফর্মুলা ব্যবহার করতে পারেনঃ
“Your Keyword” Forum


৪। Image Sharing Sites: আপনি যেহেতু আপনার ভিডিওকে অনেক ভালভাবে অপ্টিমাইজ করার চেষ্টা করছেন তাই ধরে নিচ্ছি আপনি খুব আকর্ষণীয় একটা কাস্টম থাম্বনেল বানিয়েছেন আপনার ভিডিওর জন্য এবং সেটাই সেট করে রেখেছেন। আপনি ওই থাম্বনেল ইমেজ গুলো পপুলার কিছু ইমেজ শেয়ারিং সাইটে আপলোড করতে পারেন সেইম টাইটেল/ট্যাগ দিয়ে এবং সাথে আপনার ভিডিওর লিঙ্কও দিতে পারেন। ওই সব সাইটের নিজেদের প্রচুর ট্র্যাফিক আছে যেখান থেকে আপনার আই ক্যাচি থাম্বনেলের কারণে ভিডিওতে ট্র্যাফিক ড্রাইভ করতে পারেন।


৫। Article Sharing Sites: ওয়েবে অনেক ভাল ভাল সাইট আছে যেখানে আপনার আর্টিকেল/স্টোরি পাবলিশ করতে পারেন। জাস্ট একটা অথার অ্যাকাউন্ট করে নিতে হয়। সেখানে আপনি আপনার ভিডিওর কন্টেন্টের কিছু ইনফো গুছিয়ে লিখে সাথে আপনার ভিডিওর লিঙ্ক শেয়ার করে দিতে পারেন। এসব সাইটের প্রচুর রিডার। আপনার দরকার শুধু খুব ভাল একটা অপ্টিমাইজড টাইটেল যেটা কিনা সহজেই চোখে পড়ে।

এমন একটা সাইট হচ্ছে https://medium.com। এমন অনেক সাইট পাবেন গুগল থেকে। কিছু প্রিমিয়াম আর্টিকেল শেয়ারিং সাইট আছে, আবার কিছু মডারেশন ফ্রি সাইটও আছে। খুঁজে খুঁজে ভাল ট্র্যাফিকের সাইটে আপনার কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন।



৬। Wiki Sites: WikiHow আর Wikipedia এই ২টা সাইটের ট্র্যাফিক সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নাই। আপনি যদি কোনও প্রবলেমের সলিউশন নিয়ে ভিডিও বানান তাহলে অবশ্যই সেটা উইকিহাওতে পোষ্ট করবেন। সেই সাথে উইকিপিডিয়াতে একদম রিলেভেন্ট আর্টিকেলে নতুন কিছু ইনফো অ্যাড করে সোর্স হিসেবে আপনার ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করতে পারবেন। একদম লেজিট ট্র্যাফিক পাবেন আজীবন। লাইফটাইম গ্যারান্টি। যতদিন আপনার ভিডিও ইউটিউবে থাকবে ততদিন আপনি এসব থেকে রেগুলার কিছু কিছু ভিউ পেতে থাকবেন।


সবকথা এখানেই শেষ করতে পারতাম কিন্তু কিছু কথা লেখা অনেক জরুরি তাই শেয়ার করছি। উপরের লেখা স্ট্রেটেজি অনুযায়ী আপনি লাইফটাইম ট্র্যাফিক পেতে থাকবেন কিন্তু এজন্য অবশ্যই এবং অবশ্যই আপনাকে খুব ভাল কোয়ালিটির ভিডিও প্রডিউস করতে হবে যেখানে আপনার ভিউয়ার এসে নিজের দরকারের ভ্যালুটা পাবে। যদি ফানি ভিডিও হয় সে এসে ভিডিও দেখে হাসবে, যদি প্রোডাক্ট রিভিউ হয় তাহলে ভিডিও দেখে প্রোডাক্টের ইউজার ফিডব্যাকের ব্যাপারে খুব ভাল একটা ধারণা পাবে, ইভেন যদি আপনার ভিডিও হয় ইনফরমেশন ব্যাজড যেমন Best Smartphones. Top Places to visit, Creative Paper crafts তাহলে সে এসে যেন আসলেই এগুলাই দেখতে পায়।

ভুল টাইটেল বা ট্যাগ ইউজ করে ভিউয়ারকে ম্যানুপুলেট করে একবার হয়তো আপনি ভিউ করাতে পারবেন কিন্তু আজীবনের জন্য এমন একটা ভিউয়ার হারাবেন যে কিনা আপনাকে খুঁজে এসে নিজের সময় নষ্ট করে গেল!

এই পর্যায়ে এসে অনেকেই হয়তো ভাবছেন আমি কিছু মিস করে গেছি কি’না। হ্যা ভাই মিস করেছি কিছু জিনিস কিন্তু সেসব আপনারা প্রপার অপ্টিমাইজশন প্রসেসের মধ্যেই করে নেবার কথা। তাও বলছি, ভাল কিছু Web 2.0 করা, অনেক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে নিজের ভিডিও শেয়ার করা যা শুধু মাত্র সোশ্যাল সিগন্যাল থেকে র‍্যাঙ্কিং পাবার জন্য যেটা বেশ ইফেক্টিভ। এগুলাও এক্সটার্নাল ভিউ সোর্স হিসেবে কাউন্টেবল কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এগুলো করি র‍্যান্ডমলি। যেখানে হয়তো ট্র্যাফিক নেই সেখানেও পোষ্ট করি শুধু মাত্র গুগোল/ ইউটিউবকে ব্যাকলিঙ্ক দেখানোর জন্য।

বিঃদ্রঃ যারা ইউটিউবের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন তারা অবশ্যই এবং অবশ্যই লং টেইল বায়িং কিওয়ার্ড ফোকাস করে ভিডিও বানান। সার্চ ভলিউম কম হোক কিন্তু কনভার্সন ভাল হবে। আর যারা অ্যাডসেন্স টার্গেট করে ভিডিও মার্কেটিং করবেন তারা অবশ্যই হাই সার্চ ভলিউম কিওয়ার্ড ফোকাস করে ভিডিও বানান।


আজকের মত অনেক লিখে ফেলসি। পুরো লেখাটি হয়তো ১৬০০ শব্দের বেশি হয়ে যাবে।

যারা এত কষ্ট করে এই লেখাটি পড়েছেন তাদের জন্য ছোট্ট একটি গিফট দিচ্ছি এখানেঃ

এক্সটার্নাল ভিউস পাবার জন্য আমি যেসব সোর্সের কথা উল্লেখ করেছি সেখানে ম্যানুয়ালি অ্যাকাউন্ট করতে অনেক সময় লাগবে। আপনাদের সময় বাঁচানোর জন্য আমি একটু ছোট্ট টুল আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। অনেকেই হয়তো আগে থেকেই জেনে থাকবেন, যারা জানেন না তাদের উপকারে আসবে।
এটা হচ্ছেঃ http://www.roboform.com/

আপনারা চাইলে এটা ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন বা চাইলে গুগোল ক্রোম বা ফায়ারফক্সের জন্য অ্যাডঅন্সও ইউজ করতে পারেন।

আরও একটি সুন্দর টুলস আছে যেটা পরবর্তী পোষ্টে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ্‌।

আমার এই লেখাটির গঠনমূলক সমালোচনা কাম্য। যদি আপনি এই লেখা থেকে একটু হলেও ভ্যালু পেয়ে থাকেন তাহলে শেয়ার করুন নিজের বন্ধুদের সাথে। দয়া করে দোয়া করবেন আমার জন্য :) 

Monday, August 22, 2016

Free Download Camtasia studio 8.6 | How to use life Time Camtasia studio Without kye and name

Camtasia studio  সফ্টওয়্যার দিয়ে আপনি স্ক্রীনরেকর্ড এবং এডিটের কাজ সেরে নিতে পারবেন  
বর্তমানেআমি এবং আমার পরিচিত অনেক প্রফেশনালরা এটাই ব্যাবহার করেন। 

ইনষ্টল করা নিয়ম: প্রথমে ডাউনলোড করে নিবেন তারপর win zip সফ্টওয়্যার দ্বারা exted করে নিবেন, তারপর ইনষ্টল দিবেন, তবে ইনষ্টল দেওয়ার সময় আপনার net connection চালু রাখতে হবে, এবং এটা একটু সময় নিয়ে ইনষ্টল হয় তাই সময় নিয়ে ইনষ্টল করবেন।


কি ভাবে সারা জীনব Camtasia ফ্রী ব্যাবহার করবেনঃ ইনষ্টল করার পর আপনারা Free Trial ক্লিক করে ৩০ দিন ব্যবহার করতে পারবেন, ৩০ দিন পরে নিছের কাজটি করলে আপনি আরো ৩০ দিন ব্যবহার করতে পারবেন, এভাবে ৩০ দিন পর পর এপলাই করবেন।
 প্রথমে আপনার কম্পিউটার এর  STRAT বার এ ক্লিক করেন, Search এর খালি ঘরে RUN লিখে Search দিন, তার পর RUN লিখা যে পাইল টা আসবে, ও টা তে ক্লিক করেন, এভার আবার খালি ঘরটাতে REGEDIT লিখে Search দেন, আভার কি বোর্ড থেকে CTRL+ F চাপেন, আবার লিখেন DROMJMFILE তার পর ENTER চাপেন, এভার DROMJMFILE নামে যে পাইলটা আসছে ও টা ডিলিট করে দেন,
এখন আপনার ডেস্কটপে Camtasia studio সফ্টওয়্যার এর যে আইকন আছে ও টা সিলেক্ট করেন, এবং মাউজ এর ডাইন ভাটনে ক্লিক করে ও Run as administrator এ ক্লিক করেন, এভার ও টা অপেন করেন দেখবেন আবার ৩০ দিন এর হয়ে গেছে, এভাবে আপনি অনেক দিন ব্যাবহার করতে পারেন |
 
আবার ৩০ দিন শেষে সফ্টওয়্যার অপেন করার সময় যদি কি চায় তাহলে net connection অপ করে এখন থেকে যে কোন একটা কি কপি করে পেষ্ট করে দিলে হবে, তবে নেম এর ঘরে যে কোন একটা নাম লিখতে হতে।
 
 
 
 
 
CAMTASIA  KEYS:
CD2AA-QzBHD-C3KJL-E9HRV-Q797c
CCNAM-YTC5C-YVDPC-CCHMC-FRD4C
CNAZC-3CFWC-CJHHM-MW2AM-H4RF8
SKJ5C-5HSCF-CNWCC-CAPKG-CDMA3
ZCCCZ-TAAWC-CTNAM-ZPTMW-HMD2D
7QCCX-DBMAA-CJUCC-ACDLC-HB3ME
2FCMY-BCKCA-CHKCD-ZPEZC-PB5BB
CCXBM-7AJCC-C8X5D-CDC5P-X2FR5
MYCKZ-YCVM2-B7MCC-CDMXC-T7C43
4CMYC-JKCM4-CVK5D-AGGHD-Z36D8
CCCHS-QCFCC-5CACK-DHH45-FCME2
MYCKC-GCDMK-MQ5CC-5YWHD-H2MD8
NAZCC-3CCCC-H3BMX-D4ACD-X7C6C
HL5CM-5YCKC-CQDDC-5C9K3-Z87C7
2WCMY-DCDFC-CA3CH-CR5FC-L6M2R
YCK3C-ECDCC-CCHHC-RWBC2-C3R36

HCCD4-4CBCM-BYCK2-CC5W5-MFC4B
পৌষ্ট টি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট ও করার জন্য অনুরুধ রইলো।
 

 

Monday, July 18, 2016

হারিয়ে যাওয়া মানুষ !

হারিয়ে যাওয়া মানুষদের আমি খুঁজে বেড়াই ।
তারা হারিয়ে যায়, কখনো ইচ্ছেয় কখনো অনিচ্ছায়
। কখনোবা নিজেকে গুটিয়ে নেয় কিংবা খোলসে আবৃত
করে রাখে সুনিপুণ ভাবে ।
কেউ হয়তো ভদ্রতার খাতিরে একদিন
জানতে চেয়েছিল, কেমন আছো ?
আমি তাকে খুঁজে ফিরি ।
মনের গহীন কোনে লুকিয়ে থাকা মানুষটা,
যে হয়তো কোন একসময় আগলে রাখতো গভীর
মমতায়,
কালের বিবর্তনে যে আজ বহুদুর, আমি তাকেও
খুঁজে ফিরি ।
কোন এক নিঃসঙ্গ সকালে কেউ
হয়তো ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিল, হাই...কি অবস্থা ?
তারপর হয়তো তার ভেতর ডুবে ছিলাম অনেকটা সময়,
আমি তাকেও খুঁজে ফিরি ।
ব্যস্ত সড়কে ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ কেউ
থামিয়ে বলল- আরে কতদিন পর, কি খবর ? কেমন
আছিস ? তারপর বহুকাল আর তার দেখা নেই,
আমি তাকেও খুঁজে ফিরি।
আমি খুঁজে ফিরি সেই অবুঝ প্রেমিককে,
যে আমাকে বোঝার আগেই বলেছিল"ভালোবাসি",
হয়তো পাত্তা দেইনি কিংবা ছোটবেলার
দুষ্টুমি ভেবে এড়িয়ে গেছি স'যতনে।
কৈশোরের সেই অবুঝ ভালোলাগার
দিনগুলোকে আমি খুঁজে ফিরি, খুঁজে ফিরি সময় গুলো।
বন্ধুদের সাথে কাটানো কতশত বিনিদ্র রাত,
জানি সেগুলো আর ফিরে আসবে না তবু
আমি হাতড়ে বেড়াই সেই স্মৃতিগুলো ।
আমি খুঁজে ফিরি বন্ধুত্তের
দাবি নিয়ে কাছে আসা সেই মানুষগুলোকে,
হয়তো একদিন ঘোরের মধ্যেই বলেছিল,"পাশে থাকব
চিরকাল"কিংবা চেয়েছিল বন্ধুত্তের
চেয়ে বেশি কিছু, হয়তো প্রত্যাশিত চাওয়া পুরন
হয়নি তাই হারিয়ে গেছে বহুদুর ।
আমি খুঁজে ফিরি শৈশবের ভালোলাগা সেই হাত,
যে হাতে হাত রেখে একদিন বলেছিল"কোনদিন
ছেড়ে যাবোনা"
আমি প্রবল বিশ্বাসে সেই হাত আঁকড়ে ধরেছিলাম,
তার হয়তো মনেই নেই সেদিনের সেই কথা, তবু
আমি তাকে খুঁজে ফিরি।
হৃদয় হাতড়ে আমি সবকিছু খুঁজে বেড়াই, শুধু
তোমাকে ছাড়া...হাতে হাত রেখে যে সবসময় পাশে
থাকে তাকে খুঁজতে নেই...!

এই মেঘ রৌদছায়া

❝যাকে ভালো লাগে তাকে চোখের আড়াল করতে ইচ্ছে করে না।
কিন্তু ভালোবাসার মানুষরা সবাই চোখের আড়ালে চলে যায়।❞

●●► হুমায়ূন আহমেদ ~ এই মেঘ, রৌদ্রছায়া

Saturday, June 11, 2016

বিখ্যাত লেখক ও মণীষীদের নির্বাচিত 40টি বানী বা উক্তি !

1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক
ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল ।
2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস -
বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন ।
3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে
না বলাই ভালো - পিথাগোরাস ।
4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে
শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ।
5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে
আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না - শিলার ।
6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত -
ষ্টিনা।
7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে
জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী ।
8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা
তত বেশী উদ্বিগ্ন - জন মেরিটন।
9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট
ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে - কার্লাইন ।
10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া
বেশী প্রয়োজন - লং ফেলো।
11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া
যায় - আলফ্রেড মার্শাল ।
12) জ্ঞানী লোক কখনও সুখের সন্ধান করে না -
এরিষ্টটল ।
13) জ্ঞানীর হাত ধরা যায়, কিন্তু বোকার মুখ ধরা যায়
না -জর্জ হার্বাটর।
14) যিনি সম্পদের লোভে বিয়ে করেন , তিনি তার
সত্ত্বাকে বিকিয়ে দেন - টমাস ফুলার ।
15) যে যত বেশী ভ্রমণ করবে তার জ্ঞান তত বেশি বৃদ্ধি
পাবে - টমাস হুড।
16) যে ব্যক্তি সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয় সে হয় ফেরেস্থা,
নয় পশু -এরিষ্টটল ।
17) যৌবন কালে অরধেক খাও, আর অরধেক সঞ্চয় কর।
যৌবনের সঞ্চয় বৃদ্ধ কালের অবলম্বন - সক্রেটিস্ ।
18) দু:খ কখনও একা আসে যখন আসে তখন তার দলবল
নিয়ে-ই আসে - উইলিয়াম সেক্সপিয়ার ।
19) দানের সঙ্গে শ্রদ্ধা বা প্রেম মিলিলে তবেই তাহা
সুন্দর ও সমগ্র হয় - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
20) দুনিয়ার মজদুর এক হও -কার্ল মাক্স ।
21) দর্ভাগ্যকে যে সহ্য করতে পারে না সে সত্যিই
হতভাগা - বর্নলী।
22) না বুঝে ও বুঝার ভান করার চেয়ে নিজে অজ্ঞতা
প্রকাশ করা ভালো - ফ্রান্সসিস ব্যাকন ।
23) নিজের বোকামী ঢাকতে অন্যের উপর দোষ চাপিও
না- জর্জ ম্যাডোনাল্ড।
24) প্রেম হল জলন্ত সিগারেটের মত যার আরম্ভ হল
জ্বলন্ত আগুন দিয়ে আর শেষ পরণিতি ছাই দিয়ে -
বার্নাডশ ।
25) প্রত্যেক মহৎ কাজের সূচনাতেই অসম্ভব এসে পথ রোধ
করে - কারলাইন ।
26) প্রতিটি গান তৈরীতে, প্রতিটি যুদ্ধক্ষেত্র প্রদর্শন
এ, প্রতিটি রকেট জ্বলেছে চুড়ান্ত ভাবে বুঝায় যে
ব্যক্তিরা না খেয়ে জীবন-যাপন করছে তাদের সম্পদ চুরি
করে এগুলো করা; এই অস্ত্র সজ্জিত দুনিয়াটা শুধুমাত্র
টাকা ব্যয় করছে না, ব্যয় করছে শ্রমিক এর ঘাম,
বিজ্ঞানীদের মেধা , শিশুদের আশা। - ডোয়াইট ডেবিট
আইজেনহাওয়ার ।
27) পাপকে ঘৃণা কর পাপীকে নয়, ভিতুকে সাহস দাও, আর
জ্ঞানীর সংঙ্গে কাজ কর - হুইটম্যান।
28) বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই
সত্যিকারের বন্ধু - উইলিয়াম সেক্সপিয়ার ।
29) বিশ্বাস হচ্ছে ভালবাসার শক্তি - ডিও টলস্টয়।
30) বেশী কথা বলা , তা যতই মূল্যবান হউক নির্বুদ্ধিতার
নিদর্শন -এরিষ্টটল ।
31) বুদ্ধিমান লোক জরুরী কাজেই তার জীবন ব্যয় করে -
প্লেটো ।
32) বৃদ্ধদের প্রতি অবজ্ঞা পোষন করো না, কারণ
অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক - ডব্লিউ বি র্যান্তস।
33) বড় হতে হলে সবাগ্রে সময়ের মূল্য দিতে হবে - চার্লস
ডিকেন্স ।
34) ভিরু লোক বিপদ আসার আগেই ভয় পায় - রিচটার।
35) ভবিষ্যৎ কে জানার জন্য আমাদেরকে অতীত জানা
প্রয়োজন -জন ল্যাঙ্ক হন।
36) মানুষ সামাজিক জীব - এরিষ্টটল ।
37) মিষ্টি মধুর কথায় যতটা আনন্দ পাওয়া যায়, অন্য
কিছুতে ততটা আনন্দ পাওয়া যায় না - টমাস ফুলার ।
38) শিয়ালের মত একশত বছর জীবন ধারণের চেয়ে
সিংহের মত একদিন বাঁচাও ভাল - সক্রেটিস ।
39) সুন্দর করে কথা বলা একটা আর্ট(কৌশল)। এই আর্ট
আয়ত্বে থাকলে সহজে মানুষকে আপন করা যায় -
হেনরীভন ডাইক।
40) সম্পদ কোন দিনও সভ্যতা ও সম্মান আনতে পারে না -
হেনরী ওয়ার্ড ।
[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত]

ডেল কার্নেগীর স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণা মূলক 30 টি উক্তি......!

✪ যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান বেশী, সাফল্য তার
কাছেই এসে ধরা দেয়,কারন যে নদী যত গভীর তার বয়ে
যাওয়ার শব্দ ততো কম।
✪ মনে রাখবেন, আপনি কে বা আপনার কি আছে তার
উপর আপনার সুখ নির্ভর করেনা, আপনার সুখ নির্ভর করে
আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর।
✪ অনুকরন নয়, অনুসরন নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে
জানুন, নিজের পথে চলুন।
✪ অস্পষ্টতায় ভরা দুরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু
দেখাই আমাদের দরকার।
✪ আত্মসম্মান, আত্মজ্ঞান, আত্ম নিয়ন্ত্রন- এই তিনটিই
শুধু মানুষকে সর্বশক্তিমান করে তুলতে পারে। সঠিক
জীবন যাপন নির্ভর করে এদের উপরে।
✪ আপনি ভাল মানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে
ভাল ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক
নয়। আপনি নিরামিষভোজী হলে কি কোন ষাঁড় আপনাকে
তাড়া করবে না?"
✪ আমরা যখন আমাদের কর্তব্য - কর্মে অবহেলা দেখাই,
কোন দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহন করিনা, তখনই
অকৃতকার্যতা আসে।
✪ আমি চাইতাম বিখ্যাত ব্যক্তিদের মতো সফল হতে; এর
জন্য আমি অনেক পরিশ্রমও করেছি কিন্তু আমি
কোনভাবেই সফল হইনি,অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম-
অন্যের মতো নয়- বরং আমি হবো আমার মতো।
✪ একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে, একটি কুৎসিত
মুখের মধুর কথা অধিকতর শ্রেয়।
✪ কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোন ধারণা না
থাকার অর্থ,আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোন অন্ধের মত।
✪ জগতে যা সবচেয়ে খারাপ হতে পারে তা মেনে নাও।
তুমি যদি সবচেয়ে বড় হতাশাগ্রস্ত হও তাহলে মেনে নাও
মৃত্যু তোমার জন্য সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। এখন তুমি
তোমার কাজে মনযোগী হও। মনে রেখ শরীরের জন্য
জীবন নয় বরং জীবনের জন্য শরীর। তুমি তো কবেই মারা
গেছ। তাহলে এখন থেকে যা করবে তা তোমার জন্য
বোনাস। তুমি হয়তোবা 'চালস ডিকেন্স' বা শেক্সপিয়ার
হতে পারবে না।কিন্তু তুমি তোমার সময়কালের সেরা
একজন হতে পার।তুমি ও রচনা করতে পার তোমার
সময়কাল নিয়ে আধশতাব্দী।
✪ জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, না পাওয়ার দুঃখ
থাকবেনা।
✪ দক্ষতা অর্জনের পথ হল- ১) অপরের অভিজ্ঞতা মনে
রাখুন ২) নিজের উদ্দেশ্য সামনে রাখুন ৩) সাফল্যের জন্য
মন কে তৈরি করুন ৪) যতটা সম্ভব অভ্যেস করুন।
✪ দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাও?তাহলে-পরস্পরকে
অবিশ্বাস করবেনা আর ঘ্যানর ঘ্যানর করবে না।
✪ দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল- ব্যস্ত থাকুন।
✪ নিজের কাজকে ভালোবাসুন। আমাদের কাজের
পিছনে যখন অনুভুতি কাজ করে আমরা তখনই সবচেয়ে
সেরা হয়ে উঠি।
✪ পৃথিবীতে ভালবাসার একটি মাত্র ঊপায় আছে, সেটা
হল প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে শুধু ভালবেসে
যাওয়া।
✪ ভদ্র আচরন করতে শিক্ষা লাগে, অভদ্র আচরন করতে
অজ্ঞতাই যথেষ্ট।
✪ মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই
আড়াল করা প্রশংসাই: মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ
লাথি মারেনা।
✪ মনে রাখবেন আজকের দিনটি গতকাল আপনার কাছে
আগামীকাল ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল আপনি
চিন্তিত ছিলেন আজ নয়।
✪ মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন হতাশা গ্রস্থ মানুষের
চেয়ে একজন সুখী মানুষ হাজার গুন বেশী কর্মক্ষম।
✪ মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায়,তখন তাকে কোনভাবে
বিরক্ত করা উচিত নয় । কেননা তা থেকে চরম ভুল
বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।
✪ মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন দোষ নিয়ে নয়।
✪ যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয় নিয়ে এক
মিনিটের বেশি ভাববেন না।
✪ যিনি নিজের মন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন তিনিই
সফলতা লাভ করেছেন।
✪ যে অবস্হায়ই পড়ুন না কেন- অবস্থার ভালো মন্দ না
দেখে বিচার করা উচিত নয়।
✪ যে স্ত্রীরা স্বামীকে সুখী করতে পারেন, তারা
নিজেরাও তারি সঙ্গে সুখী হন। তারা অতি সহজেই
বলতে পারেন যে স্বামীর সহযোগিতায় আমাদের জীবন
কানায় কানায় পূর্ণ।
✪ শুধু আজকের জন্য আমি সুখী হব।- আব্রাহাম লিঙ্কন
এতে বোঝা যায় আব্রাহাম লিঙ্কন যা বলেছেন তাই ই
ঠিক যে, অধিকাংশ মানুষ ই যতখানি সুখী হতে চায়
তাদের মন যা চায় ততটাই তারা হয়। সুখ বাইরের বস্তু নয়-
এটা হল অন্তরের।
✪ সব সময়-ই অপর ব্যাক্তিকে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি
করার সুযোগ দিন
✪ সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। আনন্দ হল
আপনি যা চান তা পাওয়া।
✪ অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে
জানুন, নিজের পথে চলুন।
✪ নিজের ইচ্ছাকে রোজ কাজে লাগান। যতবার পারেন
চেষ্টা করুন। কঠিন কোন কাজের চেষ্টা করুন। যে কাজ
করতে আপনার আদৌ কোন ইচ্ছে নেই। 'সুখকে' একবার
ফিরিয়ে দিন। সুখকে অন্তত একবারের মত ত্যাগ করুন।
এটাই হলো ইচ্ছা সমন্বিত কাজের পথ, নিয়মিত কাজের
পথ, সৎ উদ্দেশ্যে প্রনোদিত কাজের পথ।
✪ মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো।
✪ সবসময় হাসতে হবে। হাসির মাধ্যমে আমরা জীবনের
অনেক সমস্যাকেই দূর আকাশে পাঠাতে পারি।

Friday, June 10, 2016

হিমু আর রূপা !

হিমু আর রূপা এক গভীর জোছনা রাতে ছাদে। হিমু মুগ্ধ
চোখে রূপাকে দেখছে। রূপা খুব গুটিসুটি মেরে বসে
আছে।
পরনে সবুজ শাড়ি, চুল সেই আধ বাঁধা আধ খোলা।
ফর্সা মুখটাতে চোখে গাঢ় করে কাজল দেয়া। সেই
কাজলও
লেপ্টে আছে। কপালের টিপটাও বেকে আছে, তারপরও
রূপাকে অপূর্ব লাগছে। জোছনার আলোতে মনে হচ্ছে
এলোমেলো ভাবে হাসনাহেনা ফুল
ফুটে আছে। হিমু হাসনাহেনা ফুলের ঘ্রাণও পেতে
লাগলো।
আসলে ওটা হাসনাহেনা ফুলের ঘ্রান না। রূপার
গা থেকে মিষ্টি একটা স্প্রের ঘ্রাণ আসছে। হিমুর
কল্পনায়
তা হাসনাহেনা ফুলের ঘ্রাণ মনে হচ্ছে।
রূপা এক দৃষ্টিতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে!!!! -রূপা,
একটা গান শোনাওতো। গানে অবশ্যই জোছনার
কথা থাকতে হবে।
- জোছনার গান?? কিন্তু হিমু ভাই, আমার তো এখন
জোছনা নিয়ে কোনো গান মনে পড়ছে না।
-চেষ্টা করো, মনে পড়বে।
রূপা জোছনা বা চাঁদ নিয়ে গান মনে করার চেষ্টা
করলো। কিন্তু কোন গানই মাথায় আসছে না। আশ্চর্য!!!
অন্য সময় জোছনার
কত গান মাথায় আসে।।I
-হিমু ভাই, অন্য গান গাই??? চাঁদ নিয়ে গান মনে করতে
পারছি না।
-আচ্ছা গাও।
রূপা গান ধরলো,
তোমার কুলের কাছাকাছি আমি ডুবতে রাজি আছি......
হিমু স্তব্ধ হয়ে রূপার গান শুনছে। কি সুন্দর গানের গলা
রূপার!!
রূপার গলায় গানটা যেনো আরো প্রাণ পেয়েছে। কন্ঠে
এতো জাদু
কেনো রূপার!!!???
গান গাইতে গিয়ে রূপার চোখে পানি এসে গেলো।
জোছনার
আলোতে সেই পানি হীরের দানার মত চকচক করছে। -
রূপা তোমার চমৎকার গানে আমি প্রীত হইলাম।
বলো তুমি কি চাও আমার কাছে???
-কিচ্ছু চাই না।
-কিছু একটা তো চাও রূপা!!
-আমি যা চাইবো তা দিবেন??
-চেয়েই দেখো না!! -লাইফ চাই।
-মানে কি রূপা??? -মানে হলো, ইউ ক্যান গিভ মি দ্যা
লাইফ, হিমু ভাই। আমি আমার
সমস্ত জীবনটা বাঁচতে চাই। আপনাকে সাথে নিয়ে
বাঁচতে চাই। হিমু রূপার কাছে গেলো, পরম মমতায় দু
হাতে রূপার
মুখটা তুলে ধরলো, রূপা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেললো।
-রূপা, আমি তোমাকে বিধাতার কাছ থেকে বর চেয়ে
নিয়ে দিলাম।
একদিন তুমি অনেক বড় গায়িকা হবে। অনেক নাম হবে
তোমার!! -সেইদিনটাতে আমি আপনাকে পাশে চাই হিমু
ভাই।
-সমস্ত পৃথিবী তোমার পাশে থাকবে রূপা।
- আমি সমস্ত পৃথিবী চাই না, আমি আপনাকে চাই। হিমুর
খুব ইচ্ছে হল বলতে, রূপা আমি থাকবো তোমার পাশে।
কিন্তু বলল না। কারণ হিমুদের এসব বলতে নেই। হিমুদের
ভালোবাসা প্রকাশ করতে নেই। হিমু হলে ভালোবাসা
মেঘের মত
জমিয়ে রাখতে হয়, কখনোই বৃষ্টি হয়ে পড়তে দিতে নেই।
-রূপা, রাত অনেক হয়ছে আমি যাই। রূপা কিছু বলল না।
তার দুনিয়া ভেঙ্গে কান্না পাচ্ছে। এই
কান্নাটা তাকে সারাজীবনের জন্য কাঁদতে হবে।
যতদিন বেঁচে থাকবে ঠিক ততদিন। বি:দ্র: বাস্তবে অনেক
ছেলে হিমু হতে পারলেও,
কোনো মেয়ে কিন্তু রূপা হয় না। বাস্তবের রূপারা
কখনোই
সারাজীবন হিমু ভাইর জন্য কাঁদে না। কারণ বাস্তবের
রূপাদের
গল্পের রূপার মত এত মনের জোড় থাকে না।

Thursday, June 9, 2016

প্রযুক্তির ৬৪ শব্দের পূর্ণরূপ

#প্রযুক্তির ৬৪ শব্দের পূর্ণরূপ ।

১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resource
Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application
Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

Wednesday, June 8, 2016

ব্রেকাপ কেন হয় ?

ব্রেকাপ কেন হয় এর একশটা কারণ থাকতে পারে তবে ব্রেকাপের পর সম্পর্ক গুলো এত পানসে কেন হয়? ? একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতিদিন গড়ে এক লক্ষ ৪২ হাজার সম্পর্ক হচ্ছে আর ব্রেকাপ হচ্ছে ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি !!
একটি মানুষ যখন কিছুটা দূরে থাকে তখন আমরা ক্যামেরা জুম করে তাকে কাছে নিয়ে আসি। এই পর্যন্ত ঠিক আছে... বেশি জুম করা ভাল না... বেশি জুম করলে চেহারা ফেটে যায়... ত্বকের বিশ্রী দাগ চোখে এসে লাগে...
সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একি নিয়ম... বেশি কাছাকাছি মানুষকে দূরে ঠেলে দেয়.....তাকে রেস্পেক্ট করবেন... তার মতামতের গুরুত্ব দিবেন... এইগুলা ঠিক আছে... তবে দেবদাসের মত নিজের সব পছন্দ অপছন্দ বিলিয়ে দিবেন না।
নিজের একটা আলাদা আইডেনটিটি আছে... সেটা ধরে রাখুন... তার কদম ভাললাগে এটা জানার পর জানিয়ে দিন কদম আপনার অসহ্য লাগে... এর ঘ্রাণ দুর্গন্ধময় !
বেশিরভাগ মানুষ সম্পর্ক সুন্দর করার জন্য মিথ্যের আশ্রয় নেয়। সম্প্রতি একটি বই পড়ে জেনেছি মিথ্যে বলা সত্যের থেকে ত্রিশ গুণ কঠিন কাজ।
অন্যকে খুশি করতে গিয়ে প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ কথা বলার সময় প্রতি ১০ মিনিটে একটা মিথ্যে বলে।
সে এবং আপনি আপনারা একি মানুষ। এইগুলা বোকামানুষের কথা। আপনাকে তার মত হবার দরকার নেই। তাকেও আপনার মত বানানোর প্রয়োজন নেই।
আছা... ব্রেকাপের পর সম্পর্ক গুলো এত পানসে কেন হয়? দুজন মানুষের এডজাস্টমেন্ট নাই হতে পারে। এর পর আর কোনদিন তার মুখ দেখা যাবে না। তার সাথে কথা বলা যাবে না। সে হল শত্রু পক্ষ !
ভাবা যায় দিনের পর দিন আমরা এই ছেলেমানুষি গুলো করে আসছি। একজন না খেলে অন্যজন খায় না। একজনের ঘুম না এলে অন্যজন ঘুমায় না। একজন টেনশনে থাকলে অন্যজন সেই টেনশন কেড়ে নেয়... একজন পরীক্ষায় খারাপ করলে ফোনের ওপাশ থেকে অন্যজন কান্না করে।
সেই একি মানুষ গুলোই সামান্য ব্রেকাপ হলে একজন অন্যকে গালাগালি করে বেড়ায় ! মানুষকে ভালবাসতে শিখুন। মৃত্যুর আগে টলস্তয়ের শেষ কথা ছিল ' আমি পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষকে ভালবাসি'
সম্পর্কের ডেফিনেশন কী ?
সমরেশ পড়েছেন? মাধুবিলতার কথা মনে আছে ? অনিমেশ ? অনিমেশ প্রতিবন্ধী... হাঁটতে পারে না। তাদের ছেলে একদিন জিজ্ঞাসা করল; তারা কেন বিয়ে করে নি ? মাধুবিলতার জবাব ছিল ; কাগজের দরকার হয় নি... তাই করে নি; সে যে একজন প্রতিবন্ধি মানুষকে বছরের পর বছর আগলে রেখেছে এই সম্পর্কটা কী যথেষ্ট না?
সম্পর্ক কোন সোশ্যাল নেটওয়ার্কের রিকোয়েস্ট না; একসেপ্ট করলেই শুরু হয়ে গেল আর রিমোভ করলেই শেষ। একটা মানুষ মারা যাবার পরেও সম্পর্কগুলো দাবী ছাড়ে না। ফ্রেমের শুকনো ছবি মুখে এনে চুমো খাবে। বুকের কাছে এনে পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিবে। কোনদিন যদি আবার কথা হয়; তবে কী কথা বলবে এইসব ভেবে জায়নামাজে বসে পড়বে।
মানুষটাকে এখন না হোক; এককালে তো ভালোবাসতেন ? অন্তত সেই দাবীতে সম্পর্কটাকে ভালবাসুন।

আছে নাকি এরকম কোন মানুষ ?

সম্পর্ক গুলোকে বুঝতে হলে মানুষটার অভিমানের ভাষা গুলো বুঝতে হবে। কেউ যদি রাতে না খেয়ে বলে খিদে নেই তাহলে নিজে একা খেয়ে বাতি বন্ধ করে ঘুমিয়ে যাবার অর্থ হল তুমি তার অভিমানের ভাষা বোঝো না।
সে হয়ত ভেবেছিল , তার খিদে নেই শুনে তুমি তার প্রতি একটু মনোযোগী হবে। সে হয়ত চেয়েছিল আজ তুমি তাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিবে।
সে এমন ভাবে বলেছে ' আমি তোমাকে বুঝতে চাই' যার সারমর্ম হল ,সে আসলে তোমাকে বুঝতে চায় না।
প্রতিউত্তরে তুমি অসংখ্যবার বলে গেছো, ' তুমি তাকে বুঝতে চাও না'
এই যে তুমি তাকে বুঝতে চাও না,ব্যাকটির শেষ শব্দের এই ' না' টা সে আসলেই বুঝে উঠতে পারেনি। সে জানলোই না, এই ' না' এর ভেতরে কত লাইন অভিমান আর আক্ষেপ ছিল।
তোমাকে একটু খেয়াল রাখতে হবে তোমার কতটুকু সে মেনে নিয়েছে আর কতটুকু মন থেকে নিয়েছে। মেনে নিতে নিতে এক সময় দেখবে মানুষটা শুধুই মেনে নিচ্ছে , এর হৃদয়ে আর কোন 'মন' অবশিষ্ট নেই।
সম্পর্কে যাবার আগে তুমি হয়ত একটা মোহে ছিলে, তার সব কিছুই ভাললাগা টাইপ একটা ঐশ্বরিক ব্যাপার। সম্পর্কে আসার আগে তোমাকে এইটুকু পার্থক্য বুঝতেই হবে, প্রেম এবং ভালোবাসা এক জিনিস না।
প্রেম অনেকটা চঞ্চল প্রকৃতির। একটা সাদামাটা গানের লাইনে হেলুসিনেশন চলে আসে। প্রেমের রসয়ানে পাগলামি আছে। একটা পাগল মানুষের ভেতরে ঢুকে মানুষটাকে দিয়ে সারারাত প্রিয়তমার বাসার সামনে দাড় করিয়ে রাখে।
সব থেকে সাংঘাতিক ব্যাপার হল , প্রেম অনেক সময় ভালো না বাসলেও ভালোবাসার চেষ্টা করে !
ভালোবাসা স্থির। সে মানুষটার সমস্ত দায়িত্ব কাধে তুলে নেয়। সে টিনএইজের প্রথম প্রেমের মত পাগলামি করে না ; তবে সে পাগলের মতই ভালোবাসে।
' আমি তোমাকে ভালোবাসি' এটা আসলে বলবার বিষয় না। ভন্ড এবং প্রতারকরাও বলে, বরংচ বেশিই বলে। এটা করে দেখাতে হয়।
সম্পর্ক গুলো কেমন হবার কথা ছিল সেটা আমাদের হাত, পা , চোখের দিকে তাকালেই আঁচ করা যায়।
তোমার একটা চোখ যদি অন্ধ হয়ে যায় পাশের চোখটিকে দেখবে একাই সব দৃশ্য দেখার দায়িত্ব কাধে পেতে নিবে।
তোমার একটা হাত অকেজো হয়ে গেলে পাশের হাতটা একাই দুটা হাতের কাজ চালিয়ে নিবে।
তোমার একটা পা পঙ্গু হলেও অন্য পাশের পা' টি একাই সমস্ত শরীরের ভার নিয়ে সামনে এগোবে।
আছে নাকি এরকম কোন মানুষ ?

Real Post

মনে করুন একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন আপনার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আপনি ফার্মেসীতে গেলেন।
তারা আপনাকে এন্টিবায়োটিক আইড্রপ দেয়ার পর চোখ ভাল হয়ে গেল... !!!
দুদিন পর ঘুম থেকে উঠে দেখলেন আপনি কথা বলতে পারছেন না... শীতে গলা বসে গেছে... আপনি আবার ফার্মেসীতে গেলেন।
কাশির শিরাপ খাবার পর ফুরফুরে কথা বলতে শুরু করলেন... !!!
একদিন কোন এক্সিডেন্টে আপনার হাত কেটে রক্ত একাকার... ফার্মেসীতে গেলেন ; ক্ষতস্থান ড্রেসিং করার পর রক্ত পড়া বন্ধ !!!
টু দা পয়েন্ট ইজ... আপনি যখন চোখ দিয়ে অশ্লীল কিছু দেখবেন সেই রোগের কোন আইড্রপ ফার্মেসীতে পাবেন না।
গলা বসে গেলে কাশির শিরাপ খাবার পর আবার কথা বলতে শুরু করলেন...
কিন্তু কথা দিয়ে যখন মানুষকে আক্রমণ করা হয় ; পেছনে গীবত করা হয় সেই রোগের কোন শিরাপ ফার্মেসীতে রাখা নেই...
এরকম একটা শিরাপ থাকার দরকার ছিল !
অসুস্থ হাত সুস্থ করার চাইতেও বেশি দরকার ছিল ; পাপের হাত সুস্থ করা।
পৃথিবীর আজন্ম আফসোস ; বিজ্ঞান মানুষকে শুধুই জৈবিক সমস্যার সমাধান দিতে পারে ; মানবিকতার না !!
প্রায় ১৪০০ বছর আগে এই মানবিক ফার্মেসী চালু হয়েছে। যারা নিয়মিত ওষুধ খায় তাদের এই সব রোগ হয় না। ওষুধের নাম কোরআন !

Love Post

ব্রেকাপ কেন হয় এর একশটা কারণ থাকতে পারে তবে ব্রেকাপের পর সম্পর্ক গুলো এত পানসে কেন হয়? ? একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতিদিন গড়ে এক লক্ষ ৪২ হাজার সম্পর্ক হচ্ছে আর ব্রেকাপ হচ্ছে ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি !!
একটি মানুষ যখন কিছুটা দূরে থাকে তখন আমরা ক্যামেরা জুম করে তাকে কাছে নিয়ে আসি। এই পর্যন্ত ঠিক আছে... বেশি জুম করা ভাল না... বেশি জুম করলে চেহারা ফেটে যায়... ত্বকের বিশ্রী দাগ চোখে এসে লাগে...
সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একি নিয়ম... বেশি কাছাকাছি মানুষকে দূরে ঠেলে দেয়.....তাকে রেস্পেক্ট করবেন... তার মতামতের গুরুত্ব দিবেন... এইগুলা ঠিক আছে... তবে দেবদাসের মত নিজের সব পছন্দ অপছন্দ বিলিয়ে দিবেন না।
নিজের একটা আলাদা আইডেনটিটি আছে... সেটা ধরে রাখুন... তার কদম ভাললাগে এটা জানার পর জানিয়ে দিন কদম আপনার অসহ্য লাগে... এর ঘ্রাণ দুর্গন্ধময় !
বেশিরভাগ মানুষ সম্পর্ক সুন্দর করার জন্য মিথ্যের আশ্রয় নেয়। সম্প্রতি একটি বই পড়ে জেনেছি মিথ্যে বলা সত্যের থেকে ত্রিশ গুণ কঠিন কাজ।
অন্যকে খুশি করতে গিয়ে প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ কথা বলার সময় প্রতি ১০ মিনিটে একটা মিথ্যে বলে।
সে এবং আপনি আপনারা একি মানুষ। এইগুলা বোকামানুষের কথা। আপনাকে তার মত হবার দরকার নেই। তাকেও আপনার মত বানানোর প্রয়োজন নেই।
আছা... ব্রেকাপের পর সম্পর্ক গুলো এত পানসে কেন হয়? দুজন মানুষের এডজাস্টমেন্ট নাই হতে পারে। এর পর আর কোনদিন তার মুখ দেখা যাবে না। তার সাথে কথা বলা যাবে না। সে হল শত্রু পক্ষ !
ভাবা যায় দিনের পর দিন আমরা এই ছেলেমানুষি গুলো করে আসছি। একজন না খেলে অন্যজন খায় না। একজনের ঘুম না এলে অন্যজন ঘুমায় না। একজন টেনশনে থাকলে অন্যজন সেই টেনশন কেড়ে নেয়... একজন পরীক্ষায় খারাপ করলে ফোনের ওপাশ থেকে অন্যজন কান্না করে।
সেই একি মানুষ গুলোই সামান্য ব্রেকাপ হলে একজন অন্যকে গালাগালি করে বেড়ায় ! মানুষকে ভালবাসতে শিখুন। মৃত্যুর আগে টলস্তয়ের শেষ কথা ছিল ' আমি পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষকে ভালবাসি'
সম্পর্কের ডেফিনেশন কী ?
সমরেশ পড়েছেন? মাধুবিলতার কথা মনে আছে ? অনিমেশ ? অনিমেশ প্রতিবন্ধী... হাঁটতে পারে না। তাদের ছেলে একদিন জিজ্ঞাসা করল; তারা কেন বিয়ে করে নি ? মাধুবিলতার জবাব ছিল ; কাগজের দরকার হয় নি... তাই করে নি; সে যে একজন প্রতিবন্ধি মানুষকে বছরের পর বছর আগলে রেখেছে এই সম্পর্কটা কী যথেষ্ট না?
সম্পর্ক কোন সোশ্যাল নেটওয়ার্কের রিকোয়েস্ট না; একসেপ্ট করলেই শুরু হয়ে গেল আর রিমোভ করলেই শেষ। একটা মানুষ মারা যাবার পরেও সম্পর্কগুলো দাবী ছাড়ে না। ফ্রেমের শুকনো ছবি মুখে এনে চুমো খাবে। বুকের কাছে এনে পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিবে। কোনদিন যদি আবার কথা হয়; তবে কী কথা বলবে এইসব ভেবে জায়নামাজে বসে পড়বে।
মানুষটাকে এখন না হোক; এককালে তো ভালোবাসতেন ? অন্তত সেই দাবীতে সম্পর্কটাকে ভালবাসুন।